রবিবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৫, ১২:১৯ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
লোকে-লোকারণ্য সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের রাষ্ট্রের যত বড় কর্তাই হউক তাদেরকে জনগনের কাছে জবাবদিহিতা করতেই হবে : সালাহউদ্দিন আহমেদ চকরিয়ায় হাতির আক্রমণে নারীর মৃত্যু টেকনাফে অপহৃত উদ্ধার : অস্ত্র সহ চক্রের ৩ সদস্য আটক প্রাথমিক শিক্ষাকে উন্নত করা গেলে সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা টেকনাফের ‘ডাকাত খায়ের’ সহযোগী নারী সহ গ্রেপ্তার কক্সবাজারে ‘জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থান’ এক শহীদ ও আহত ৪৭ জনকে সহায়তা প্রদান সেন্টমার্টিন থেকে সাগরে ফিরেছে ১৮৩টি কচ্ছপের বাচ্চা লুট করেই ৬ ট্রলার সহ ৫৬ জেলেকে ছেড়ে দিয়েছে ‘মিয়ানমারের নৌবাহিনী’ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতা নিহত

উখিয়া হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চুরি

উখিয়া প্রতিনিধি: উখিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের করোনা আইসোলেশন সেন্টারে চুরির ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। জানা যায়, সপ্তাহখানেক এর মধ্যে উখিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের করোনা আইসোলেশন সেন্টার থেকে অক্সিজেন সিলিন্ডার, নেবুলাইজার ও ফ্যান সহ জরুরী চিকিৎসা সামগ্রী চুরি করে নিয়ে গেছে। সঠিক পরিসংখ্যান জানার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেও সুনির্দিষ্ট সংখ্যা জানা যায়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানান, হাসপাতালে চুরির ঘটনায় নীরব ভূমিকা পালন করছে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তারা। এ ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটনের দাবি জানান তারা।

উখিয়া স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা. রঞ্জন বড়ুয়া রাজন জানান, চুরির ঘটনাটি তদন্ত চলছে। তাই তদন্তের স্বার্থে এখন কিছু বলা যাচ্ছেনা। মালামালের সঠিক পরিসংখ্যান জানতে চাইলে তিনি ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কেটে দেন।

উখিয়া থানার ওসি আহাম্মদ সনজুর মোরশেদ জানান, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চুরির ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে কক্সবাজার সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবুর রহমান জানান, উখিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চুরির বিষয়টি এখনো জানি না। কিন্তু কেন এতোদিন বিষয়টি সিভিল সার্জনকে জানালেন না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন সেটি আমারও প্রশ্ন। বিষয়টি এখন খতিয়ে দেখবে বলে জানান তিনি।

হাসপাতালের এক কর্মচারী জানান, করোনা আইসোলেশন সেন্টারের বিপরীতে একটি সিসি ক্যামরা ছিল, ২০১৯ সালে সেটি চুরি করে নিয়ে গেছে৷ এখনো সেই চোর শনাক্ত করতে পারেননি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ৷

অভিযোগ উঠেছে, ২০১৯ সালে নিমানিশু (নিরাপদ মা, নিরাপদ শিশু) ইউনিট থেকে ৩টি ল্যাপটপ চুরি হয়েছিল, দীর্ঘ ২ বছর অতিবাহিত হয়ে গেলেও রহস্যজনক কারনে এখনো তদন্ত কার্যক্রম শেষ করেননি সংশ্লিষ্টরা। মূলত: স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কতিপয় লোকজন এর সাথে জড়িত থাকায় চুরির ঘটনাটি ধামাচাপা পড়ে যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

.coxsbazartimes.com

Design & Developed BY ThemesBazar.Com
themesbcox1716222888